বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি: আসছে আরও ৫০০ মেগাওয়াট

0
48

আজ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে  বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হচ্ছে । ভারত থেকে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হলো বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে। নতুন এই ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে ভারতের সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ‘ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট’থেকে এবং ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে ভারতের বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ‘পাওয়ার ট্রেডিং করপোরেশন’থেকে।

সোমবার বাংলাদেশর সময় বিকাল ৪ টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও  কনফারেন্সে মাধ্যেমে যুক্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর গ্রিড থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার আন্তঃবিদ্যুৎ সংযোগ গ্রিডে এ বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেন বলে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণায়ল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এ উপলক্ষে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে ভেডামারায় নবনির্মিত ৫০০ মেগাওয়াট এইচভিডিসি ব্যাক টু ব্যাক স্টেশন সেকেন্ড ব্লক-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের পরিমাণ ৬৬০ মেগাওয়াটের মধ্যে ৫০০ মেগাওয়াট পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় যুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

গত ১১ এপ্রিল সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর আওতায় আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদে এবং ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ মে পযন্ত দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে।

এনটিপিসি থেকে কেনা বিদ্যুতের মূল্য হবে স্বল্পমেয়াদে প্রতি ইউনিট চার টাকা ৭১ পয়সা এবং দীর্ঘমেয়াদে ছয় টাকা ৪৮ পয়সা। পিটিসির সরবরাহ করা বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি দর স্বল্পমেয়াদে চার টাকা ৮৬ পয়সা ও দীর্ঘমেয়াদে ছয় টাকা ৫৪ পয়সা ধার্য হয়েছে।

এদিকে আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে এক সুধী সমাবেশ বক্তব্য রাখবেন।

প্রায় ৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেল সংযোগ পুনর্বাসন প্রকল্পে ৫৪৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা খরচ হবে।

প্রকল্পের অধীনে কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেল রুটে রেলওয়ে ব্রিজ, ব্রিজ ও স্টেশন বিল্ডিং, প্লাটফর্ম, রেল লাইন ও অন্যান্য রেল অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।