বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভা: চুড়ান্ত অনুমোদন পেতে পারে নতুন তিন ব্যাংক

0
291
প্রিন্ট

আজ বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সভা বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় নতুন তিনটি বেসরকারি ব্যাংককে চুড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হতে পারে। ব্যাংক তিনটিকে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেয়ার সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। অপেক্ষায় থাকা ব্যাংক তিনটি হচ্ছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংক। এ ছাড়াও আজকের পর্ষদ সভায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি অনুমোদন দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

গত বছরের শেষের দিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় দেশের তফসিলভুক্ত ৫৯তম ব্যাংক হিসেবে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ অনুমোদন পেয়েছে। ওই সভা থেকেই নতুন আরো তিনটি ব্যাংক অনুমোদন দেয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসে। এরপর ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভা হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়। আজকের পর্ষদ সভায় নতুন তিন বেসরকারি ব্যাংক অনুমোদন দেয়া হলে দেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়াবে ৬২-তে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আজকের সভায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে পারে। আর পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংকের কাগজপত্র ঠিক থাকলে উভয় ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন মিলতে পারে।

অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন পরিস্থিতিও নিয়েও পর্যালোচনা করা হবে আজ। গতকাল সন্ধ্যায় হোটেল লেকশোরে অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি প্রণয়নের জন্য অর্থনীতিবিদসহ বিশিষ্টজনদের সঙ্গে আলোচনায় বসে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরসহ সাবেক গভর্নর, অর্থনীতিবিদ, আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩১ জুলাই ২০১৮-১৯ সালে বিদায়ী অর্থবছরের বছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঘোষিত মুদ্রানীতিতে প্রথমার্ধের জন্য বেসরকারি খাতের ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছিল। যদিও জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে বেসরকারি খাতে ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একই সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ। মূলত তারল্য সংকটের কারণে অর্থবছরের প্রথমার্ধে লক্ষ্য অনুযায়ী বিনিয়োগ করতে পারেনি ব্যাংকগুলো। এ অবস্থায় বছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি অপরিবর্তিত থাকতে পারে।