ঢাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে

0
241
প্রিন্ট

বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ছাড়িয়েছে অনেক আগেই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার শহরের তুলনায় গ্রামে বেশী। সেই তূলনায় গ্রামে কর্মসংস্থার অনেক কম। কর্মসংস্থান কিংবা ব্যবসাসংশ্লিষ্ট কাজে প্রতিনিয়ত মানুষ শহরমুখী হচ্ছে। তাই রাজধানীর শহর ঢাকাকে কেন্দ্র করে বেড়েই চলেছে জনসংখ্যা। যে কারণে ঢাকায় আগের চেয়ে সবকিছুর চাহিদা বেড়েছে অনেক বেশি। আর এসব কারণে বেড়ে যাচ্ছে জীবনযাত্রার ব্যয়।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) জানিয়েছে, গত বছর (২০১৮) রাজধানীতে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬ শতাংশ। একই সঙ্গে পণ্য ও সেবার মূল্য  ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে জীবনযাত্রার ব্যয়ের এ হিসাব প্রকাশ করেন ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান।

রাজধানীর ১৫টি খুচরা বাজার ও বিভিন্ন সেবার মধ্য থেকে ১১৪টি খাদ্যপণ্য, ২২টি নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী ও ১৪টি সেবার তথ্য পর্যালোচনা করে ক্যাব এ হিসাব দিয়েছে। তবে এ হিসা‌ব শিক্ষা, চি‌কিৎসা ও প্রকৃত যাতায়াত ব্যয় ব‌র্হিভূত।

ক্যাবের তথ্যানুযায়ী,  আগের বছরের তুলনায় ২০১৮ সালে সব ধরনের চালের গড় মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৮.৯১ শতাংশ। তবে গত বছর  প্রসাধনী পণ্য সাবানের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। পণ্যটির দাম গড়ে বেড়েছে ২০ শতাংশ। অন্যান্য পণ্যের মধ্যে মাছের দাম বেড়েছে ১৩.৫০ শতাংশ, শাকসবজির গড়ে দাম বেড়েছে ৯.৩৮ শতাংশ।

এছাড়া তরল দুধে ১০.৩৩ শতাংশ, মাংসে ৩.৩৭ শতাংশ, ডিম ৭.৭১ শতাংশ, চা-পাতা ৮.৮৯ শতাংশ দাম বেড়েছে। দুই কক্ষ বিশিষ্ট বাড়ি ভাড়া ৫.৫ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া শাড়ি কাপড়, নারিকেল তেল, প্রভৃতি জিনিসের দাম বেড়েছে। এমনকি ওয়াসার পানিরও দাম বেড়েছে।অন্যদিকে গত বছর তার আগের বছরের তুলনায় ডাল, লবণ, মসলা, চিনির দাম কমেছে।

সংবাদ সম্মেলনে ক্যাবের উপদেষ্টা এম শামসুল আলমসহ অনুষ্ঠানে ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।