খেলাপি ঋণ কমানোর পথ খুঁজছে ব্যাংক কর্মকর্তারা

0
206
প্রিন্ট

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের বলেন, খেলাপি ঋণ আর এক টাকাও বাড়তে দেয়া যাবে না। এরই পরিপেক্ষিতে ব্যাংক মালিকর ও ব্যাংক কর্মকর্তারা মিলে খেলাপি ঋণ কমানোর তৎপরতা শুরু করেছেন। গত শনিবার এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি সভাও করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা। উক্ত সভায় বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকস (বিএবি) ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) নেতারা যৌথভাবে অংশ নেন।

এ বিষয়ে বিএবির সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা দেখা করেতে গিয়েছিলাম। তখন তিনি খেলাপি ঋণ, তারল্য সংকট ও ব্যাংক খাত সংস্কারসহ বেশকিছু শর্ত ও পরামর্শ দেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যাংক খাতের সংস্কারসহ অন্যান্য বিষয়ে এবিবি ও বিএবি’র যৌথসভা হয়েছে।

ব্যাংক খাতের বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল খেলাপি ঋণ। এটি কমাতে বিভিন্ন উপায় খোঁজা হচ্ছে উল্লেখ করে বিএবি’র সভাপতি বলেন, প্রথমেই ইচ্ছেকৃত ও অনিচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপি চিহ্নিত করা। তার পর এটি কিভাবে নির্ণয় করা এবং ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে যেসব সমস্যা আছে, তা চিহ্নিত করা ও সমাধানের পথ নির্ণয়ের আলোচনা হয়েছে। সমস্যা সমাধানের বিষয় নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলে জানান তিনি।

বিএবির সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ব্যাংকিং খাতে সংস্কার হোক এটাই চায় সরকার। কারণ, ব্যাংকিং খাত যত ভালো থাকবে দেশের অর্থনীতি তত উন্নত হবে।

গত বৃহস্পতিবার বেসরকারি ব্যাংক মালিক ও প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নতুন অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, কোনো কিছু আলাপ করার আগে আমার এক দফা, এক শর্ত। আজকের পর থেকে খেলাপি ঋণ ’এক টাকাও বাড়তে পারবে না’ আপনারা কীভাবে বন্ধ করবেন, কীভাবে তত্বাবধায়ণ করবেন তা আপনাদের ব্যাপার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।