কেনো শীতে প্রতিদিন আদা খাবেন?

0
74
প্রিন্ট

শীতে আসলেই খুসখুসে কাশি, মাইগ্রেন, গলা ব্যাথা, বদহজম ইত্যাদি মৌসুমি রোগ-ব্যাধি যেন মাথা-চারা দিয়ে ওঠে। ওষুধ খেয়েও সহজে কাজ হয় না। তাই এই শীতে আদার রস খেলে খুব সহজেই মৌসুমি রোগ দূর হয়ে যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে ১০০ গ্রাম আদায় রয়েছে ৮০ ক্যালরি এনার্জি, ১৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৭৫ গ্রাম ফ্যাট, ৪১৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম এবং ৩৪ মিলিগ্রাম ফসফরাস। বুঝাই যাচ্ছে যে আদা সকল ঔষধিগুন সমৃদ্ধি উদ্ভিদ।

 স্বাস্থ্যের জন্য আদার বিশেষ গুনসমুহ:

১. আদার রস বদহজমের মহা ঔষধ, বুকজ্বালা বা গ্যাস অম্বলে আদা অত্যন্ত কার্যকরী।

২. আদার রসে উপস্থিত জিঞ্জেরল ব্যথানাশক ওষুধ আইবুপ্রোফেনের মতো শরীরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৩. আদার রসে কমে যেতে পাতে আর্থ্রাইটিস বা অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টের প্রদাহের মতো সমস্যা।

৪. আদার রসে ক্যানসারের কোষগুলোর অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি রুখে দিতে পারে ।

৫. মাইগ্রেনের সমস্যা উপশমে, আদার অ্যান্টিহিস্টামাইন, অ্যান্টিনসিয়া উপাদান মাথা-ধরার অস্বস্তি থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম।

৬. ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আদা পানি অতুলনীয়। ক্যালরি চটজলদি বার্ন করতে সক্ষম এই উদ্ভিদ। তাছাড়া আদার রস কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম করায়,মেটাবলিজম রেট বাড়ায়, ইনসুলিনের নিঃসরণ বাড়ায়। ফলে ওজন সহজেই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৭. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদা অত্যন্ত কার্যকরী। এর জন্য প্রতিদিন ৭৫ থেকে ১০০ মিলিগ্রাম আদাই যথেষ্ট।

৮. ঠাণ্ডা-গরমে খুসখুসে কাশি বা সর্দির সমস্যায় আদার রস খুবই কার্যকরী।

৯. ব্যাক্টেরিয়াঘটিত যে কোনো সংক্রমণ ঠেকাতে আদার রস খুবই কার্যকরী।

১০. আদাকুচি মুখে রাখলে বমি বমি ভাব,শারীরিক অস্বস্তি কমাতে উপকার পাওয়া যায়।