আমদানি রপ্তানি স্থবির হিলি স্থলবন্দরে

0
80
প্রিন্ট

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় হিলি স্থলবন্দরের বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে, ফলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় করতে পারছেন না। এর কারনে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। জানা যায়, ভারতের ফারাক্কা ব্রিজ মেরামত করার কারণে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যার কারণে এ অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের।

বন্দরের পানামা পোর্টে আমদানি ২-৩শ পণ্যবাহী ট্রাকে ঠাসা থাকলেও এখনো ৫০টি ট্রাকও ভারত থেকে হিলি বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না বলে জানান বন্দরের শ্রমিক নেতা নুরল সর্দার ও মোর্শেদুর রহমান। ফলে শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থা বেশিদিন চলতে থাকলে না খেয়ে থাকতে হবে তাদের।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজিজার রহমান বলেন, ফারাক্কা ব্রিজ মেরামতের কারণে হিলি বন্দর দিয়ে দেশে পর্যাপ্ত পরিমান পাথর আমদানি করতে পারছে না ব্যবসায়ীরা। এতে করে পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রসহ মেগা প্রকল্পের কাজের ব্যঘাত ও স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ। বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষথেকে ফারাক্কা ব্রিজের মেরামত কাজ দ্রুত করার তাগিদ দেওয়া দরকার বলে মনে করেন ব্যবসায়ী নেতারা।

ভারতের হিলি থানা ট্রাক মালিক এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী কার্তিক সাহা বলেন, ফারাক্কা ব্রিজ মেরামত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য কিছুদিন আগে দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ ও মালদার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখানে ব্রিজ মেরামতের কারণে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতিসহ কি কি সমস্যা বা অসুবিধা হচ্ছে তা তুলে ধরা হয়। তারাও দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানাগেছে ফারাক্কা ব্রিজের কাজ শেষ হতে এখনো তিন মাস সময় লাগতে পারে।

ভারত থেকে পাথরসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানি অনেকাংশে কমে যাওয়ার কারণে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানায় হিলি বন্দরের শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল হালিম।