তারুণ্য ধরে রাখার গোপন কৌশল

0
721
প্রিন্ট

বৃদ্ধ হতে কে বা চায়, সবাই চায় তরুণ থাকতে, শরীরে তারুণ্য বজায় রাখতে। কিন্তু প্রকৃতির নিষ্ঠুর নিয়মে বয়স বাড়ার সাথে সাথে সবাই বৃদ্ধ হয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। তারপরও নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা ও কয়েকটি সহজ উপায় মেনে চললে তারুণ্য ধরে রাখা সম্ভব। সঠিক পরিচর্যার অভাবে অনেকেই বুড়িয়ে যান অল্প বয়সেই। কিছু কিছু নিয়ম বা অভ্যাস আছে যা মেনে চললে আপনার শরীর ও মনে তারুণ্য বজায় থাকবে।যেমন-

১. পর্যাপ্ত ঘুমের দরকার। গবেষণা বলছে, ঘুম কম হলে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে। আমেরিকান একাডেমী অব স্লিপ মেডিসিন এণ্ড দ্য স্লিপ রিসার্স সোসাইটি’র তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটা প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন।

২. বেশিরাত জেগে কাজ না করা। রাত জেগে কাজ করলে চোখের নিচে কালি পড়ে যায় এতে মুখের লাবণ্যতা কমে যায় ফলে শরীরে বয়সের ছাপ চলে আসে।

৩. পর্যাপ্ত পানি পান করা। শরীরে পানির ঘাটতি হলে ত্বক ও চুলের উপর প্রভাব পড়ে। ত্বকের তরুণ্যতা বজায় রাখতে প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত।

৪. প্রচুর পরিমানে ফলমূল খাওয় উচিত। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ বিভিন্ন ফল যেমন ডালিম, তরমুজ, টমেটো, ব্লুবেরী এবং কমলা নিয়মিত খেলে ত্বকের তারুণ্যতা বজায় থাকে। এ কারণে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এসব ফল রাখুন। সুতরাং শরীরে তরুণ্য বজায় রাখতে ফলমূলের বিকল্প নেই।

৫. নিয়মিত ব্যায়াম শরীর সুস্থ রাখে। সেই সঙ্গে আপনার বয়স ধরে রাখতেও সহায্য করে।

৬. প্রচুর পরিমানে শাকসবজী খাওয়া ‍উচিত। শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান বিশেষ করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি শরীর থেকে টক্সিন উপাদান বের করে ত্বক ও চুলের সজীবতা ধরে রখে।গাজর, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলুর মতো সবজিতে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন থাকে যা ত্বককে সূর্যরশ্মি ও ফ্রি রেডিকেল থেকে রক্ষা করে। এছাড়া ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজিও ত্বকের তারুণ্যতা বজায় রাখে।

৭. মেডিটেশণ এমন একটা প্রাচীন পদ্ধতি যা আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখাবে, নেতিবাচক ভাবনা আর দূর করবে মানসিক চাপ। আর মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে শরীরও ভাল্ থাকবে। বয়স ধরে রাখতে ও শরীর সুস্থ রাখতে তাই নিয়মিত মেডিটেশন করুন।

৮. নিয়মিত বই পড়লে মনের চোখ খুলে যায়। এতে মানসিক প্রশান্তিও হয়। এ কারণে শরীর ও মনের সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত বই পড়ুন।

৯. সবসময় ইতি বাচক ভাবনা ভাবুন। জীবনে যা কিছু পেয়েছেন তা নিয়ে সন্তষ্ট থাকুন। আর স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। যা পাননি তা নিয়ে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। আপনার ইতিবাচক ভাবনাই আপনাকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে সাহায্য করবে।