শরীর ফিট রাখতে, দিনে দু-গ্লাস পানীয়ই যথেষ্ট

0
599
প্রিন্ট

আপনার শরীর টক্সিনমুক্ত রাখতে চাইলে দিনের শুরুটা করুন ন্যাচারাল কিছু টনিক দিয়ে। যার মাধ্যমে আপনার শরীরের সমস্ত বিষাক্ত উপাদান নষ্ট করে আপনাকে রাখবে এনার্জিতে পূর্ণ। সেই সাথে  ইমিউনিটি বজায় থাকবে এবং সুস্বাস্থের অধিকারী হবেন। এই পদ্ধতির মাধ্যমে বেশ খানিকটা ওজন ঝরানোও সম্ভব। এর জন দরকার শুধু সকালের অভ্যাসটা পরিবর্তন করা।

ন্যাচারাল কিছু উপাদান আছে যেগুলি দিয়ে বাড়িতেই টনিক বানানো যায়। এই ন্যাচারাল টনিক বানাতে আপনার প্রয়োজন দারুচিনি, জয়ফল, আদা, হলুদ, লেবু, শুকনো মরিচ ও গোলমরিচ। এগুলো নিয়মিত গ্রহণ করলে আপনার লিভার এবং রক্ত টক্সিন মুক্ত থাকবে।

আদা: আদাকে বলা হয় সুপার ফুড। কারণ এর মধ্যে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান থাকে। হজমের সমস্যা হোক বা কেমোথেরাপি, ডায়াবেটিস হোক বা ওজন কমানোর পদ্ধতি, সবকিছুতেই আদা গুরুত্বপূর্ণ। গাটের সমস্যা থেকেও মুক্তি দিতে পারে আদা। সাইনাস, ঠাণ্ডা লাগা, ফ্লুয়ের সমস্যায় আদা ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

দারুচিনি: দারুচিনি অন্যতম স্বাস্থ্য-বন্ধু মশলা হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণে রাখে, হাইপারটেনশনের মোকাবেলা করে এবং হার্টের রোগের সম্ভাবনা কমায়। গোটা শরীরের পক্ষেই খুব উপকারী দারুচিনি।

হলুদ: একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বহু বছর ধরে এটি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নিয়মিত হলুদ ব্যবহার করলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। লিভারের কোষগুলো উজ্জীবিত হয়। হলুদ লিভারকে ঠাণ্ডা করে যে কোনও ইনফ্লামেশন কমাতেও সাহায্য করে।

শুকনো মরিচ এবং গোলমরিচ শরীরের বিষাক্ত উপাদান বার করে দেওয়ার জন্য খুবই কার্যকর। ওজন হ্রাসের জন্যও এটি খুবই উপকারী কারণ এতে হজমশক্তি ভালো হয় এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বেরিয়ে যায়।

কীভাবে টনিক বানাবেন:

লেবু ছাড়া উপরে উল্লেখিত সবগুলো উপাদান পানির মধ্যে দিয়ে ভাল করে ফোটান। যে পরিমাণ পানি নেবেন তাকে ফুটিয়ে অর্ধেক করতে হবে। শেষে মিশ্রনের সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন এই মিশ্রণ।