আগামী মাসেই গ্যাসের দাম বাড়ছে

0
692
প্রিন্ট

আবার গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এ দফায় দুই বার্নার ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা হচ্ছে এবং এক বার্নার ৭৫০ থেকে ১০০০ টাকা, সিএনজি প্রতি ঘনমিটার ৪০ টাকা এবং বিদ্যুত উৎপাদনে ১৪২ ভাগ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিতরণকারী কোম্পানিগুলো। আগামী মাসে দাম বাড়ানোর উপর গণশুনানির পরিকল্পনা করছে অথ্যাৎ ১১ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত শুনানি করবে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বর্তমানে, সরকার প্রতি বছর ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা গ্যাসে ভর্তুকি দেয়। এই চাপ কমাতেই গ্যাসের নতুন করে দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিদ্যুত ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী মনে করেন, গ্যাসে ভর্তুকি কমাতেই এই প্রস্তাব। তবে ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাব বলছে, নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়ানো অন্যায্য।

সর্বশেষ, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে গড়ে ২২ শতাংশ গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গত বছরের মাঝামাঝির পর, আবারও গ্যাসের দাম বাড়াতে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে প্রস্তাব দিয়েছে সঞ্চালন ও বিতরণকারী কোম্পানিগুলো। গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণকারী ছয়টি কোম্পানির প্রস্তাব খাত ভেদে একইরকম। বিদ্যুত উৎপাদনে প্রতি ঘনমিটার ১৪২ ভাগ, সারে সর্বোচ্চ ১৫৮ ভাগ দাম বাড়াতে চান তারা। শিল্পে ৯৩ আর ক্যাপটিভ বা কলকারখানায় নিজস্ব বিদ্যুত উৎপাদনে ৬৩ শতাংশ। সিএনজিতে বাড়াতে চান প্রতি ঘনমিটার ৪০ টাকা।

বাসাবাড়িতে এক চুলায় ৭৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০০ টাকা এবং দুই চুলায় ৮০০ থেকে ১২শ’ টাকা। সবমিলিয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব গড়ে ৬৬ শতাংশ। দেশ উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে তিন গুণেরও বেশি দামে আমদানি করা এলএনজি যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। এলএনজি আমদানিতে ভর্তুকি কমাতে সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংগঠন-ক্যাবের উপদেষ্টা মনে করেন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কোনভাবেই এই দরবৃদ্ধির প্রস্তাব আমলে নিতে পারে না। কনজ্যুমারর্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম জানান, শুনানি স্থগিতে আবেদন করেছেন তারা।