রাশিয়ার সাথে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে মার্চে চুক্তি

0
90
ছবি: প্রতীকী
প্রিন্ট

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়ার সহযোগিতার কথা ভুলে যাবার নয়। রাশিয়া বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র, বাংলাদেশের সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, বলেছেন, নবনিযুক্ত বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কিছু জটিলতার কারণে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য আশানরূপ বৃদ্ধি পায়নি। ৫টি দেশ মিলে রাশিয়ায় ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়ন রয়েছে। বাণিজ্য লেনদেন এককভাবে কোন দেশ করতে পারে না। সে কারণেই রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ একটি এমওইউ স্বাক্ষরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

বাণিজ্য ক্ষেত্রে জটিলতা দূর করতে আগামী মার্চ মাসের শেষে রাশিয়ার সাথে এমওইউ স্বাক্ষর করা হবে। এর ফলে রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য বাড়বে এবং এর মাধ্যমে ব্যাংকিং চ্যানেল চালু হবে। বাণিজ্যের জন্য বাজার উন্মুক্ত হবে। তখন আর কোন বাণিজ্য জটিলতা থাকবে না। রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, সি-ফুড, আলু, ওষুধ প্রভৃতি পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেপান্দর ইগনাতোভ-এর সঙ্গে মতবিনিময় করে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন।

ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ রাশিয়ার বন্ধু রাষ্ট্র। বাংলাদেশে রাশিয়ার অনেক বিনিয়োগ আছে। আগামী মার্চ মাসে উভয় দেশের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষরিত হলে সকল বাণিজ্য জটিলতা দূর হবে। রাশিয়া বাংলাদেশের জন্য বড় রফতানি বাজার।

রাশিয়ায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, সি-ফুড, আলু, ওষুধসহ অনেক পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। রাশিয়া এগুলো বাংলাদেশ থেকে আমদানি করতে আগ্রহী। এমওইউ স্বাক্ষর হলে বাংলাদেশের সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেক বৃদ্ধি পাবে। উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা পারস্পরিক দেশ সফর করলে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। রাশিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে আগ্রহী।