পেটে চর্বি বা মেদ জমার কারণ

0
60
প্রিন্ট

পেটে চর্বি বা মেদ জমা বিপদের পূর্ব লক্ষন। মানব দেহে সব থেকে তাড়াতাড়ি মেদ জমে পেটে। দৈহিক পরিশ্রম না করায় এবং বিভিন্ন মশলাদার খাবার খাওয়ায় বাড়ছে শরীরের স্থলতা। স্থলতা বা বাড়তি মেদের জন্য হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, রক্তচাপের মতো একাধিক রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। ফলে যে কোন সময় বিপদ বা ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শুধুমাত্র খাবার খাওয়ায়ই নয়, আরও নানা কারণে পেটে চর্বি জমে। দেখে নেওয়া যাক এর কারণগুলো—

– ফাস্ট ফুড জাতিয় খাবার, এই খাবারগুলো মুখরোচক সুস্বাদু হলেও স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ঠিক নয়। এই খাবার খাওয়ার ফলে পেটে মেদ বৃদ্ধি পায়। এর পরিবর্তে যদি ফল বা স্যালাদ খাওয়া যায় তাতে উপকার হবে।

– অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয়। তাই দই খাওয়ার অভ্যাস করুন, কারন দইয়ে যে ব্যাক্টেরিয়া থাকে তা হজমে সাহায্য করে। ফলে পেটে মেদ জমতে পারে না।

– বিশেষজ্ঞদের মতে, নেগেটিভ ইমোশান থাকলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা হয়। যা শরীরে পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

– পিপাসা পেলে অনেকেই সফট ড্রিঙ্কস পান করে। এতে অত্যাধিক ক্যালোরি রয়েছে যা শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয়।

– রোগা হতে গিয়ে অনেকেই খাওয়াদাওয়া কমিয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, খাবারের পরিমাণ কমালে সমস্যা নেই। কিন্তু, বেশিক্ষণ না খেয়ে থাকলেও পেটে মেদ জমে।

– সারাদিন অফিস ডেস্কে বসে কাজ করলে পেটের মেদ বেশি বাড়ে। নারী পুরুষ সবাই এ সমস্যায় ভোগেন। তাই ডেস্কে কাজ করতে হলে একটানা বসে কাজ করবেন না। মাঝে মাঝে উঠে হাটা হাটি করবেন।

– আমরা জানি খাওয়ার পর তা হজম হওয়ার জন্য যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। রাতে ভরপেট খাবার খেয়ে সাথে সাথেই ঘুমাতে গেলে সেই খাবার সঠিকভাবে হজম হওয়ার সময় পায়না এর ফলে তা পেটের মেদ হিসেবেই জমা হয়।

– সুস্বাস্থ্যের জন্য রাতে ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। রাতে ঘুম না হওয়াও মেদ বাড়ার জন্য দায়ী। অনেকে রাত জেগে কাজ করেন এতে ঘুম কম হয় ফলে মেদ বাড়তে থাকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে।

ভূল অভ্যাস গুলো জেনে তা ত্যাগ করে সঠিক অভ্যাস এবং সঠিক খাবার গ্রহণ এবং নিয়ম কানুন গুলো মেনে চললেই খুব অল্প সময়েই ভাল ফল পাওয়া সম্ভব। এজন্য দরকার একটু সচেতনতা, ইচ্ছা শক্তি আর শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম।