অন্য সবার সর্বনিন্ম কলরেট ৪৫ হলেও গ্রামীণফোনের ৫০ পয়সা

0
116
প্রিন্ট

শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের সর্বনিন্ম কলরেট ৫০ পয়সা করা হয়েছে। আন্তঃসংযোগ ফিও বাড়ানো হয়েছে।

সিগনিফিকেণ্ট মার্কেট পাওয়ার বা এসএমপির অংশ হিসেবে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার বিটিআরসির সিস্টেম এন্ড সার্ভিস বিভাগের উপ-পরিচালক সাবিনা ইসলাম স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় গ্রামীণফোনের উপর এসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল বিটিআরসির কমিশন বৈঠকে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসএমপি ঘোষিত কোম্পানি হিসেবে আরো বেশ কিছু বিধি নিষেধের মধ্যে পড়তে হবে গ্রামীণফোনকে। এই সিদ্ধান্তগুলো সেই প্রক্রিয়ারই অংশ।

শুধু তাই নয়, বিটিআরসি থেকে অন্য অপারেটরদের প্যাকেজের অনুমোদন না লাগলেও গ্রামীণফোনকে এখন থেকে সব প্যাকেজ অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। এমনকি চলমান প্যাকেজগুলোরও অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটির (এমএনপি) ক্ষেত্রে যে কোনো অপারেটরে গেলে ৯০ দিন সেখানে থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো গ্রাহক ৬০ দিনের মধ্যেই গ্রামীণফোন ছাড়তে পারবেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অন্য অপারেটরদের যেখানে সর্বনিম্ন কলরেট ৪৫ পয়সা, সেখানে গ্রামীণফোনের সর্বনিম্ন কলরেট হবে ৫০ পয়সা। আন্তঃসংযোগ ফি (এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে) অন্য অপারেটরদের ১০ পয়সা। সেখানে গ্রামীণফোনকে দিতে হবে ১৫ পয়সা। অর্থাত্ রবি  থেকে যদি কেউ গ্রামীণফোনে ফোন করেন তাহলে রবি গ্রামীণফোনকে আন্তঃসংযোগ ফি হিসেবে ১০ পয়সা দেবে। কিন্তু গ্রামীণফোন থেকে কেউ যদি রবিতে ফোন করেন তাহলে গ্রামীণফোন রবিকে ১৫ পয়সা দেবে।

পাশাপাশি বর্তমানে সবগুলো অপারেটরই প্যাকেজ তৈরি করে বিটিআরসিকে অবহিত করলেই হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রামীণফোনকে শুধু অবহিত করলে হবে না, বিটিআরসি থেকে অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। এমনকি বিদ্যমান প্যাকেজগুলোরও অনুমোদন লাগবে।