হ্যাকিং এর কবলে হোয়াটসঅ্যাপ: তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

0
40
প্রিন্ট

ফেসবুকের পর এবার হোয়াটসঅ্যাপ। ইউজারের গোপন তথ্য চুরির অভিযোগে উঠেছে। সুরক্ষা ভেঙে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ স্বীকার করেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষও। এরপরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের তরফেও বিশ্বের ১৫০ কোটি ইউজারকে নতুন আপডেট দ্রুত ইনস্টলের অনুরোধ করা হয়েছে।  ম্যানুয়েলি আপডেট করতে হবে। কারণ যেহেতু অ্যাপটি হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

হোয়াটসএ্যাপের মতো ইন্টারনেটে সেবার জনপ্রিয়তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণই ছিল এর নিরাপত্তা। কেউ এতে কোনোভাবে ঢুকতে পারবে না, জানতে পারবে না, গোপনীয়তা অক্ষুণ্ণ থাকবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, এই স্পাইওয়্যার, যা ইসরায়েলে তৈরি বলে বলা হচ্ছে তা সেই নিরাপত্তা দেয়ালও ভাঙতে সক্ষম, নজরদারি করতে সক্ষম।

আপনার মোবাইল ফোন এবং ডিজিটাল ডিভাইস নিরাপত্তায় আনতে সেটিংসের কিছু পরিবর্তন করে দেথুন:

ব্যাকআপ সেটিং বদলানোর: যদি আপনি নিজে বা আপনার কোনো বন্ধু আপনাদের মধ্যকার হোয়াটসঅ্যাপের কথাবার্তা আইক্লাউডে বা গুগলড্রাইভে ব্যাকআপ করে রাখেন তা হলে একটা সমস্যা আছে। সেটি কিন্তু এনক্রিপ্টেড নয় অর্থাৎ গোপনীয়তার সুরক্ষা এ ক্ষেত্রে কাজ করবে না। তাই গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাইলে আপনি হয়তো ব্যাকআপ ডিজএ্যাবল অর্থাৎ অকার্যকর করে দিতে পারেন।

টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন: যে কোনো তথ্য নিরাপদ এবং অন্যের ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখার জন্য মোবাইল বা ডিজিটাল ডিভাইসে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন একটা ভালো উপায়। এর মাধ্যমে আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্টে আপনি নিজে ছাড়া অন্য কারো ঢোকার পথে একটা অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেয়াল তুলে দেওয়া যায়। এটি আপনি সেটিংয়ে গিয়ে পরিবর্তনও করতে পারেন।

প্রাইভেসিতে গিয়ে সব অপশনগুলো দেখুন: হোয়াটসঅ্যাপ সহ অনেক অ্যাপেরই নানা রকম নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার ব্যবস্থা আছে। আপনি যদি সেটিং>অ্যাকাউন্ট>প্রাইভেসিতে যান তাহলে আপনি সবই দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন আপনার প্রোফাইল ফটো, বা আপনি কোথায় ছিলেন বা আছেন তা কে কে দেখতে পারবেন।