করসামর্থকে করের আওতায় আনতে ১০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়োগ দেয়া হবে

0
79
প্রিন্ট

রাজস্ব আদায় বাড়াতে হলে করের আওতা বাড়াতে হবে, আর এ জন্য নতুন নতুন করসামর্থ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান সনাক্ত করতে হবে। অর্থনীতির আকার অনুযায়ী রাজস্ব আদায় প্রায় অর্ধেক। রাজস্ব আদায় বাড়াতে আউট সোর্সিংয়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়োগ দেয়া হবে। বললেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

গতকাল বুধবার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষ অর্থনীতি-বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সৌজন্যে ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন,আমাদের ট্যাক্স জিডিপির অনুপাত মাত্র ১০ শতাংশ। যেখানে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে এটা ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ। এখন যদি আমাদের রাজস্ব আদায় ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা হয়, আমরা যদি ৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ করতে না পারি তাহলে আমাদের অর্থনীতি যে গতিশীলতা এটার সঙ্গে রাজস্ব আদায়ের কোনও মিল থাকে না।

মাত্র ২১ বা ২২ লাখ ট্যাক্স দেয়। এ ছাড়া দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে, এমন অনেকে এখনও ট্যাক্স দেয় না। সুতরাং আগামী বাজেটে আমরা কোনোভাবেই করের হার বাড়াব না। করের আওতা বাড়াবো,  যারা কর দেয় না তাদের করের আওতায় নিয়ে আসবো।

যারা ট্যাক্স দেয়ার ক্ষমতা রাখে কিন্তু ট্যাক্স দিচ্ছে না তাদের কাছে পৌঁছাব, তাদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করব। এ জন্য আমরা প্রথম বছর আউট সোর্স হিসেবে ১০ হাজার জনবল বাড়াব। এসব জনবল হবে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থী, যারা কোনো কাজ পাচ্ছে না তাদের আউট সোর্স হিসেবে এ নিয়োগ দেয়া হবে।

সম্প্রতি এক জরিপের বরাত দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকা ও বড় বড় শহরে প্রায় ৯ লাখ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রথমে বড় বড় জায়গায় এটা (ট্যাক্স আদায়) বাস্তবায়ন করা হবে। ভ্যাট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই আমরা আয়করের বিষয়টি জনগণের কাছে নিয়ে যাব। তবে জোর করব না। জনগণ যখন ভ্যাট দেবে তখন কর দেয়াতেও অভ্যস্ত হয়ে যাবে।