আসছে ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার নতুন বাজেট

0
60
প্রিন্ট

আগামীকাল ১৩ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষনা করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের এটি প্রথম বাজেট।

২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন। আগামী বাজেটে মূল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হচ্ছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বাজেটে থাকছে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সমাহার। তবে বাজেট বক্তব্যের আকার গতানুগতিক বিশাল আকারের না হয়ে সংক্ষিপ্ত ও টু দ্য পয়েন্ট হবে। তাই বলে বাজেটের আকার ছোট হবে না। যে কোনো অর্থবছরের তুলনায় এটি হবে রেকর্ড বাজেট।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সূত্র জানিয়েছে, আগামী বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ধরা হচ্ছে ৮.২৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৩ শতাংশ অর্জিত হবে বলে মনে করছে সরকার।

আগামী অর্থবছরের জন্য মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকবে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকার। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা।

নতুন বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীনে রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরে ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। মূল্যস্ফীতির হার আগামী অর্থবছরের জন্য ধরা হচ্ছে ৫.৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জন্য ধরা হয়েছিল ৫.৬ শতাংশ।

সূত্র জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ধরা হচ্ছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা।

বরাবরের মতো জিডিপির ঘাটতি ৫ শতাংশের মধ্যেই থাকবে। আগামী বাজেটে চলতি বছরের তুলনায় ৫ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে।

অভ্যন্তরীণ অংশের আরেক খাত সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়া হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বাজেটে ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বাজেটের তুলনায় আগামী বাজেটে এ খাত থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা কম নেওয়া হবে।

এর বাইরে অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে ৩ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া নতুন বাজেটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী পালনের প্রতিফলন থাকবে। আর বেশি মনোযোগ থাকবে নির্বাচনী ইশতেহার অনুসারে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে। দেশের প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার ঘোষণা থাকছে।