বন্ধ হতে যাচ্ছে আরো ২০৫ গার্মেন্টস কারখানা

0
436
প্রিন্ট

গার্মেন্টস কারখানার সংস্কারে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও আশানুরূপ সংস্কার করতে না পারায় নতুন করে ২০৫টি কারখানার রপ্তানি বন্ধের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই)।

এসব গার্মেন্টসের কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বন্ধ করতে ইউটিলিটি ডিক্লারেশন বা ইউডি সেবা বাতিলের জন্য বিজিএমইএতে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। একইভাবে কাঁচামালের প্রাপ্যতার অনুমোদন বা ইউপি বন্ধ করার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটকেও চিঠি পাঠানো হবে বলে ডিআইএফই’র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, প্রথম দফায় গত প্রায় দেড় বছর আগে কারখানা সংস্কারে ব্যর্থতা ও অসহযোগিতার অভিযোগে ২১৫টি কারখানার ইউডি সেবা বন্ধ করার জন্য পোশাক শিল্প মালিকদের দুটি সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএকে চিঠি পাঠিয়েছিল ডিআইএফই। ঐ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএ তাদের সদস্যভুক্ত ১৪২টি কারখানার মধ্যে ৫১টির ইউডি সাময়িক বাতিল করেছে। বাদবাকি ৯১টির মধ্যে ৪১টি কিছুটা অগ্রগতি করায় নতুন করে সরকারের উদ্যোগে চলমান সংস্কার কার্যক্রমের মধ্যে এসেছে। বাদবাকি ৫০টি কারখানা সংস্কারে আশানুরূপ কোনো উন্নতি করতে পারেনি।

এই ৫০টির সঙ্গে নতুন করে একই তালিকায় যুক্ত হয়েছে ১৫৫টি কারখানা। অর্থাত্ মোট ২০৫টি কারখানা সংস্কারে একেবারেই পিছিয়ে।

ডিআইএফইর এক জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এসব কারখানার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বহুবার বৈঠক করে সতর্ক করার পরও তারা সংস্কার করছেন না। কারখানায় কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সবার ওপর। অথচ গত ছয় বছরে অনেক কারখানাই সংস্কারের জন্য কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এখন কর্মপরিবেশ সম্পন্ন (কমপ্লায়েন্ট) হয়েছে। এসব কারখানার জন্য কমপ্লায়েন্ট কারখানা ভুক্তভোগী হোক—আমরা তা চাই না।

বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ডিআইএফইর চিঠি পাওয়ার পর আমরা ব্যবস্থা নেব। আমরা চাই যে সব কারখানা সংস্কার করবে না, সেগুলো বন্ধ হয়ে যাক।