এক মাস পর আবারও বড় দরপতন দেশের পুজিঁবাজারে

প্রিন্ট

আবারও বড় ধরনের দরপতন হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। গতকাল ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সব সূচকের পতন ঘটেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫০ পয়েন্ট এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এক শত ৭৫ পয়েন্ট কমেছে। আর লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ডিএসইতে ৭৮ শতাংশ এবং সিএসইতে ৭৪ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর কমেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে জানা গেছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৬৬ পয়েন্টে। ডিএসইর শরিয়া সূচক ১১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ১৯৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮২০ পয়েন্টে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৫৩টি কোম্পানির মধ্যে ৫৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে দাম কমেছে ২৭৬টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির।

এদিন ডিএসইতে ৪৪৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে; যা আগের দিন থেকে ২১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা কম। আগে দিন ৪৬৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ার। এদিন কোম্পানির ২১ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা সিলকো ফার্মার ১৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকার এবং ১২ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে আসে ওরিয়ন ইনফিউশন।

লেনদেনে এর পর রয়েছে মুন্নু সিরামিক, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বিকন ফার্মা, মুন্নু জুট স্টাফলার্স, জেএমআই সিরিঞ্জ, ভিএফএস থ্রেড ডাইং এবং অ্যাডভেন্ট ফার্মা।

অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ১৮৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭৯২ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৪৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৩৪টির, কমেছে ১৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির দর। সিএসইতে ১১২ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।