খাবার থেকেও ক্যানসার হতে পারে

প্রিন্ট

আজকাল অনেকেই বাড়ির বাইরে হোটেল-রেস্টুরেন্টে ফাস্টফুড বা প্রসেসড ফুড খেতে বেশি পছন্দ করেন। আর এতে বিপদ, এসব খাবারে এমন মরণব্যাধি নিজের অজান্তেই দেহে বাসা বাঁধে, যার পরিণামে মৃত্যুও হতে পারে! প্রসেসড ফুড খেয়ে ক্যানসার ডেকে আনেন নিজের দেহে। শুধু ক্যানসার নয়, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অবসাদ- এ সবই হতে পারে মাত্রাতিরিক্ত প্রসেসড ফুড খাওয়ায় ফলে। তাই বলে একেবারে খাওয়া যাবে না, তা নয়। তবে তার আগে জেনে নেওয়া ভালো কোন খাবারের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হলেই সুস্থ জীবনযাপন করা সম্ভব।

চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন খাবাবে কি ক্ষতি হয়-

অ্যালকোহল ও তামাকজাত দ্রব্য পানের অভ্যাস আছে অনেকেরই। নিয়মিত ধূমপান বা তামাকজাত দ্রব্য সেবন করেন অনেকেই। ক্যানসার হওয়ার জন্য এসবই দায়ী। সমীক্ষায় দেখা গেছে, মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্যানসারে আক্রান্ত হন তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে। এ ক্ষেত্রে বেশি হয় ওরাল ক্যানসার। তাই যত কম পান করা যায়, তত ভালো।

কোল্ড বা সফট ডিঙ্ক: বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ড্রিঙ্ক পাওয়া যায়। এসবের বিভিন্ন উপকরণ ক্যানসারের বিপদ ডেকে আনে সবচেয়ে বেশি।

পপকর্ন: পপকর্নে আছে এমন ধরনের অ্যাসিড, যা শরীরে টিউমার গঠনে সহায়তা করে। এ ছাড়াও বেশি পপকর্ন খেলে যকৃৎ, অগ্ন্যাশয় ইত্যাদিতে ক্যানসারের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

প্রসেসড ফুড : ওজন কমানোর আশায় বা তাড়াতাড়ি গরম কিছু খেতে কৃত্রিম চিনি, ডায়েট সোডা ওয়াটার খাচ্ছেন হয়তো দিনের পর দিন। অথবা শপিং মল থেকে কিনে নিয়ে আসছেন প্রসেসড মিট। জেনে রাখুন, প্রসেসড মিট বা ডায়েট খাবারের মধ্যে থাকা নানা উপকরণ ক্যানসারের জন্য দায়ী। এ ছাড়া এ ডায়েট খাবারের কারণে আপনার শিশুর জন্মগত সমস্যা তৈরি হতে পারে আগামী দিনে। তাই সাবধান।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার বা সসেজ: এসব খাবার নিয়মিত খেলে ক্যানসারের আশঙ্কা বাড়ে। আলুর মতো খাবার অতিরিক্ত তাপে ভাজার কারণে এতে উৎপন্ন উপাদান দেহে ক্যানসারের কোষ গঠনে সহায়তা করে। এ ছাড়াও প্যাকেটজাত আলুর চিপসে থাকে কৃত্রিম স্বাদ ও গন্ধ, যা মানবদেহে টিউমার গঠনে সাহায্য করে। ফলে সাবধানতা অবলম্বন আবশ্যক।

শাকসবজি ও ফলমূল না ধুয়ে খাওয়া: অনেক সময়ই এ ভুলটা করে থাকেন আপনি। এ অভ্যাস মোটেও ঠিক নয়। ফলমূল চাষের সময় তাতে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, যা সবজি বা ফলের গায়ে লেগে থাকে। না ধুয়ে এ ফল খাওয়া মানেই ক্যানসারকে আমন্ত্রণ জানানো। তাই এ অভ্যাস পরিবর্তন করুন, সুস্থ থাকুন সবসময়।