বাংলাদেশি পণ্য রফতানিতে মালয়েশিয়া এক নতুন দিগন্ত

প্রিন্ট

বাংলাদেশি পণ্য রফতানিতে মালয়েশিয়ার বাজার এক নতুন দিগন্ত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মালয়েশিয়ার বাজারে পণ্য রফতানিতে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশের মোট রফতানি ছিল ২৩২.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেখানে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানি প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৭৭.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

সম্প্রতি বছরগুলোতে দু’দেশের বাণিজ্য ক্রমবর্ধমানভাবে প্রসারিত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে ভারতের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হয়ে উঠছে বাংলাদেশ।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের রফতানি হয়েছে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৩২.৪২ মিলিয়ন ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২১১.৫২ মিলিয়ন ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৯১.০৫ মিলিয়ন ডলার, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১৪০.০৯ মিলিয়ন ডলার, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৩৫.৬৪ মিলিয়ন ডলার এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১০০.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতারি হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, হিমায়িত মাছ, কাঁকড়া, পাট ও পাটজাত পণ্য, মসলা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, আলু, সিরামিক টেবিলওয়্যার ও হালাল খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রফতানি হচ্ছে তৈরি পোশাক ও কৃষিজাত পণ্য।

মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) মো. রাজিবুল আহসান জানান, রফতানি বাজার হিসেবে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। মালয়েশিয়াতে রফতানি বাজার অধিকতর সম্প্রসারিত হলে আসিয়ানভুক্ত অন্যান্য দেশেও রফতানি দ্বার উন্মোচিত হবে।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে মালয়েশিয়ায় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কূটনীতি জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ হাইকমিশন নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- পণ্য রফতানিতে শুল্ক বাঁধা দূরীকরণে পদক্ষেপ গ্রহণ, মালয়েশিয়ার ডিউটি ফি কোটা-ফ্রি (ডিএফ কিউএফ) লিস্টে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্তকরণ, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মেলা ও ইভেন্টে অংশ গ্রহণ। এছাড়া মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রদেশে নিয়মিত রোডশো ও ব্রান্ডিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।