পবিত্র রমজান মাসের তাৎপর্যকে সামনে রেখে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)–এর শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা ইউসিবি ইসলামিক আয়োজন করেছে অনলাইন কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা ‘কুরআনের ধ্বনি’। কুরআনের সুমধুর তিলাওয়াতকে সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ‘ইউসিবি ইসলামিক’–এর যাত্রাকে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঁচ শতাধিক প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করে নিজেদের তিলাওয়াতের ভিডিও কনটেন্ট জমা দেন। প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে একটি বিশেষ জুরি বোর্ড প্রাথমিকভাবে সেরা ১০ জনকে বাছাই করে। পরবর্তী সময়ে ইউসিবির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বে এই ১০ জন প্রতিযোগী সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে প্রথম হন খন্দকার ইসরাত জাহান মুনতাহা, দ্বিতীয় হন আবদুল মোমিন ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেন তামজীদ খান।
প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে দেশের ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃত প্রখ্যাত ক্বারী ও ইসলামিক স্কলাররা দায়িত্ব পালন করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন শাইখ কারী আহমাদ বিন ইউসুফ আযহারী, ক্বারী মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মেশকাত, ক্বারী নুরুদ্দিন আহমাদ এবং মুফতি আবুল হাজ্জাজ জোবায়ের।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউসিবির শরীয়া সুপারভাইজারি কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. শামসুল আলম, ইউসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ইউসিবি ইসলামিক-এর প্রধান আবুল আলম ফেরদৌসসহ ইউসিবি ইসলামিক ও ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার আগে ইউসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, “পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত শুধু একটি ধর্মীয় অনুশীলন নয়, এটি মানুষের হৃদয়ে শান্তি, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার বাণী ছড়িয়ে দেয়। ‘কুরআনের ধ্বনি’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্মের কণ্ঠে কুরআনের সৌন্দর্যকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাই এবং প্রতিভাবান শিশু-কিশোরদের সামনে এগিয়ে আসার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চাই।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কুরআনের সুমধুর তিলাওয়াত মানুষের হৃদয়ে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি এনে দেয় এবং নতুন প্রজন্মকে কুরআনের শিক্ষা ও সৌন্দর্যের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে উদ্বুদ্ধ করে। ‘কুরআনের ধ্বনি’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের প্রতিভাবান শিশু-কিশোরদের কণ্ঠে কুরআনের সুমধুর তিলাওয়াত ছড়িয়ে পড়বে দেশজুড়ে এবং তাদের প্রতিভা সারা বাংলাদেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
