কেউ ব্যাংকে টাকা রাখেন, কেউ বিনিয়োগ করেন জমি বা অন্য কোনো খাতে। আবার অনেকে এমন একটি বিনিয়োগের খোঁজ করেন, যেখানে অর্থ তুলনামূলক নিরাপদ থাকবে এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর আয়ও পাওয়া যাবে। তাদের কাছে সরকারি সঞ্চয়পত্র দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত একটি নাম।
তবে সঞ্চয়পত্র কিনতে গিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র নাকি পেনশনার সঞ্চয়পত্র- কোনটি বেশি লাভজনক? কোনটিতে প্রতি মাসে টাকা পাওয়া যায়? কারা কোন সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন? আর এক লাখ, পাঁচ লাখ কিংবা ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে কী ধরনের সুবিধা মিলতে পারে? এসব প্রশ্ন অনেকেরই।
প্রকৃতপক্ষে সব সঞ্চয়পত্র সবার জন্য নয়। কোনোটি নিয়মিত আয় পাওয়ার জন্য সুবিধাজনক, কোনোটি দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য, আবার কোনোটি নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তৈরি করা হয়েছে। তাই শুধু মুনাফার হার নয়, নিজের প্রয়োজন ও যোগ্যতা বুঝে সঞ্চয়পত্র নির্বাচন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
নিয়মিত আয় চাইলে কোন সঞ্চয়পত্র
যাদের সংসারের খরচ চালাতে বিনিয়োগ থেকে নিয়মিত অর্থ প্রয়োজন, তাদের কাছে মুনাফা পাওয়ার সময়সূচি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে পরিবার সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিশেষভাবে বিবেচনায় আসে। এ দুটি স্কিমে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রতি মাসে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে প্রতি তিন মাসে মুনাফা দেওয়া হয়। এছাড়া পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র তাদের জন্য উপযোগী হতে পারে, যারা তুলনামূলক দীর্ঘ সময়ের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করে রাখতে চান।
অর্থাৎ, যার প্রতি মাসে সংসার চালানোর জন্য বাড়তি অর্থ প্রয়োজন, তার জন্য যে সঞ্চয়পত্র উপযোগী, ভবিষ্যতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে এমন ব্যক্তির পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।
পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়
ধরা যাক, একজন চাকরিজীবী কয়েক বছর ধরে সঞ্চয় করে কিছু অর্থ জমিয়েছেন। আগামী কয়েক বছরে সেই অর্থের প্রয়োজন হবে না। বরং সন্তানের উচ্চশিক্ষা, বাড়ি নির্মাণ কিংবা ভবিষ্যতের বড় কোনো ব্যয়ের জন্য টাকা জমিয়ে রাখতে চান। তার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র একটি বিকল্প হতে পারে।
এই সঞ্চয়পত্রে একক বা যৌথ নামে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তবে নির্ধারিত বিনিয়োগসীমা ও অন্যান্য স্কিমের সঙ্গে সম্মিলিত সীমার বিধান মানতে হয়। মেয়াদ শেষে মূল টাকার সঙ্গে প্রযোজ্য মুনাফা পাওয়া যায়।
এর সুবিধা হলো, দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করা যায়। তবে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই টাকা প্রয়োজন হতে পারে এমন আশঙ্কা থাকলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আগাম নগদায়নের নিয়ম ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত। কারণ নির্ধারিত মেয়াদের আগে ভাঙালে পুরো মেয়াদের মুনাফা পাওয়া যায় না।
তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র: কয়েক মাস পরপর বাড়তি আয়
যারা বিনিয়োগের পুরো অর্থ একসঙ্গে খরচ করতে চান না, আবার মাসে মাসে মুনাফা না পেলেও কয়েক মাস পরপর কিছু অর্থ হাতে পেতে চান, তাদের জন্য তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র বিবেচনাযোগ্য।
এই স্কিমের মেয়াদ তিন বছর। নির্ধারিত নিয়মে প্রতি তিন মাস অন্তর মুনাফা দেওয়া হয়। ফলে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, পরিবারের প্রয়োজনীয় ব্যয় কিংবা অন্যান্য খরচের জন্য নির্দিষ্ট বিরতিতে অর্থ পাওয়া সম্ভব।
তবে বিনিয়োগকারীকে মনে রাখতে হবে, মুনাফার অর্থ হাতে এলেও মূলধন দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে পারে। তিন বছরের আগেই পুরো টাকা প্রয়োজন হলে কী হারে মুনাফা পাওয়া যাবে এবং আগে দেওয়া অর্থ সমন্বয় হবে কি না, তা জেনে নেওয়া জরুরি।
পরিবার সঞ্চয়পত্র: নিজের সঞ্চয়ে নিয়মিত আয়ের ব্যবস্থা
পরিবার সঞ্চয়পত্রের বিশেষত্ব হলো, নির্ধারিত যোগ্যতার মধ্যে থাকা নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক এ স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারেন। এটি যৌথ নামে কেনার সুযোগ নেই।
ধরা যাক, একজন নারী নিজের জমানো টাকা থেকে নিয়মিত আয় করতে চান। তিনি যদি পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনার যোগ্য হন, তাহলে এই স্কিম তার জন্য একটি বিকল্প হতে পারে। একইভাবে প্রবীণ ব্যক্তি বা নির্ধারিত যোগ্যতাসম্পন্ন শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিও এ সুবিধা বিবেচনা করতে পারেন।
পরিবার সঞ্চয়পত্রে প্রতি মাসে মুনাফা পাওয়া যায়। ফলে সংসারের নিয়মিত খরচ কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা হতে পারে। তবে কেনার আগে বয়স, যোগ্যতা, সর্বোচ্চ বিনিয়োগসীমা এবং প্রযোজ্য কাগজপত্রের শর্ত যাচাই করতে হবে।
পেনশনার সঞ্চয়পত্র: অবসরজীবনের আর্থিক ভরসা
চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর অনেকের হাতে এককালীন আনুতোষিক বা ভবিষ্যৎ তহবিলের অর্থ আসে। জীবনের এই পর্যায়ে নিয়মিত বেতন বন্ধ হয়ে গেলেও সংসার, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন ব্যয় চলতে থাকে। ফলে এককালীন অর্থ কীভাবে ব্যবহার করলে দীর্ঘ সময় আর্থিক নিরাপত্তা বজায় থাকবে, তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
এ ক্ষেত্রে পেনশনার সঞ্চয়পত্র একটি বিকল্প। তবে নির্দিষ্ট সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং বিধি অনুযায়ী যোগ্য পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগীরাই এ স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারেন।
এতে প্রতি মাসে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে অবসরকালীন অর্থ থেকে নিয়মিত আয়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব। তবে শুধু অবসরপ্রাপ্ত হলেই যে কেউ এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন, তা নয়। যোগ্যতা এবং অর্থের উৎসসংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হয়।
১০ লাখ টাকা রাখলে কী হিসাব করবেন
অনেকেই সঞ্চয়পত্র কেনার আগে জানতে চান, ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে কত টাকা মুনাফা পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে দেখতে হবে কোন স্কিমে বিনিয়োগ করা হচ্ছে এবং কোন পরিমাণের জন্য কোন হার প্রযোজ্য।
উদাহরণ হিসেবে, ১০ লাখ টাকার ক্ষেত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত হার প্রযোজ্য হতে পারে। ফলে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের উচ্চতর হার ধরে পুরো ১০ লাখ টাকার মুনাফা হিসাব করা যাবে না।
একই সঙ্গে চারটি সঞ্চয়পত্রের মুনাফা পাওয়ার ব্যবধানও আলাদা। পরিবার ও পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মাসিক মুনাফা পাওয়া যায়, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক স্কিমে প্রতি তিন মাসে অর্থ আসে, আর পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে প্রযোজ্য মেয়াদ ও নগদায়নের নিয়ম অনুযায়ী অর্থ পাওয়া যায়।
তাই শুধু বার্ষিক হারের অঙ্ক দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিনিয়োগের পরিমাণ, মুনাফা পাওয়ার সময়সূচি, মেয়াদ এবং কর বাদ দেওয়ার পর হাতে কত টাকা থাকবে সব মিলিয়ে হিসাব করা উচিত।
সঞ্চয়পত্র কেনার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে
সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের আগে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা জরুরি। প্রথমত, সংশ্লিষ্ট স্কিম কেনার যোগ্যতা রয়েছে কি না। দ্বিতীয়ত, একক বা যৌথ নামে বিনিয়োগের সীমা কত। তৃতীয়ত, মুনাফার ওপর উৎসে কর কত হারে প্রযোজ্য। চতুর্থত, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নগদায়ন করলে কী ধরনের আর্থিক প্রভাব পড়বে।
এছাড়া আবেদন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, নমিনির বিবরণ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আয়কর সংক্রান্ত কাগজপত্র সঠিকভাবে দিতে হবে। ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বরের কারণে মুনাফা বা আসল টাকা পেতে বিলম্ব হতে পারে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
বেশি মুনাফা নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত
সঞ্চয়পত্রের মূল আকর্ষণ হলো তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগের সুযোগ এবং নির্ধারিত নিয়মে মুনাফা পাওয়ার ব্যবস্থা। কিন্তু কোন সঞ্চয়পত্র সবচেয়ে ভালো, তার একক কোনো উত্তর নেই। যার প্রতি মাসে বাড়তি আয় প্রয়োজন, তার জন্য পরিবার বা পেনশনার সঞ্চয়পত্র বেশি উপযোগী হতে পারে। যিনি তিন মাস পরপর অর্থ পেতে চান, তিনি তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র বিবেচনা করতে পারেন। আর যার লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়, তার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র একটি বিকল্প।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিনিয়োগের আগে নিজের আর্থিক প্রয়োজন, জরুরি তহবিল, কর এবং নগদায়নের শর্ত বুঝে নেওয়া। সর্বোচ্চ মুনাফার হার নয়, বরং নিজের প্রয়োজনের সঙ্গে সবচেয়ে ভালোভাবে মেলে এমন সঞ্চয়পত্র নির্বাচনই হতে পারে আর্থিক পরিকল্পনার সঠিক পদক্ষেপ।
কোন সঞ্চয়পত্রে কত মুনাফা
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের দুটি ধাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচের বিনিয়োগকারী। দ্বিতীয় ধাপটি হলো ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওপরের বিনিয়োগকারী। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর মুনাফার হার অনুযায়ী, প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ২১ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা ৫ বছর বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা তিন মাস অন্তর মুনাফা সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১১ দশমিক ২২ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা ৩ মাস অন্তর মুনাফা সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১১ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
পেনশনার সঞ্চয়পত্র
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা পেনশনার সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ৩২ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা পেনশনার সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
পরিবার সঞ্চয়পত্র
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা পরিবার সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অপরদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা পেনশনার সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিট
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিটে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছর ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছর ১১ দশমিক ২২ শতাংশ এবং তৃতীয় বছর ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে বছরে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১১ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।