প্রচ্ছদ ব্যাংক-বিমা অর্থাভাবে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলামিনের পাশে সোনালী ব্যাংক

অর্থাভাবে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলামিনের পাশে সোনালী ব্যাংক

0
অর্থাভাবে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলামিনের পাশে সোনালী ব্যাংক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়া কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মেধাবী শিক্ষার্থী মো. আলামিন হোসেনের পাশে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।

আলামিন হোসেন কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের ভ্যানচালক আলেফ আলীর বড় সন্তান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। আর্থিক সংকটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর তাঁর শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। সম্প্রতি এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তা সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। পরবর্তীতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আলামিনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁর শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্ন রাখতে সহায়তার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

২৯ সেপ্টেম্বের ২০২৬, মঙ্গলবার ব্যাংকের বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় মো. আলামিন হোসেনের শিক্ষা ব্যয় নির্বাহের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এককালীন ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা আর্থিক সহায়তার চেক আলামিন হোসেনের নিকট হস্তান্তর করেন। এসময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শওকত আলী খান, পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকবৃন্দ ও ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারী উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি তাঁর শিক্ষাজীবন সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে ৫,০০০ টাকা করে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হবে।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত মোঃ আলামিন হোসেনের শিক্ষাজীবন-সংক্রান্ত সংবাদটি সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) তহবিল থেকে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অর্থাভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংক আলামিনের পড়াশোনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নে সোনালী ব্যাংক সব সময়ই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে সচেষ্ট। আলামিনের উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ব্যাংকের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস তাঁর ভবিষ্যৎ পথচলায় সহায়ক হবে বলে আমরা আশাবাদী।”
সোনালী ব্যাংক পিএলসি বিশ্বাস করে, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীর শিক্ষার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের স্বপ্নপূরণে সহায়তা করা ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

শেয়ার করুনঃ

কোন মন্তব্য নেই

উপরের পোস্টটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কি?

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

Exit mobile version