বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর উদ্যোগে বিএবির সদস্য ব্যাংকসমূহের চেয়ারম্যানগণ এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকে মাননীয় গভর্নর জনাব মো. মোত্তাকুর রহমানের সঙ্গে এক যৌথ সভায় মিলিত হন। সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিএবি ও এবিবির মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং খেলাপি ঋণ (এনপিএল) কমানো ও মূলধন ভিত্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করা।
বিএবির চেয়ারম্যান জনাব আবদুল হাই সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে এক্সিট পলিসি, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের জন্য কেপিআই নির্ধারণ, প্রস্তাবিত ব্যাংক কোম্পানি আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনী এবং বন্ধ মিল-কারখানা পুনরুজ্জীবনে তহবিল বরাদ্দ। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে লভ্যাংশ প্রদানের নিয়মাবলি সহজ করার এবং পরিচালকদের ক্ষেত্রে ৭৫ বছর বয়সের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ারও অনুরোধ জানান।
গভর্নর তাঁর বক্তব্যে এবিবির সঙ্গে একত্রে বসার জন্য বিএবির উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি খেলাপি ঋণ কমানো, বিশেষ করে কৃষি ও এসএমই খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো, ট্রেজারি বিলের ওপর ব্যাংকের নির্ভরতা কমানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক লক্ষ্য অর্জনে উপযোগী পণ্য উদ্ভাবনের জন্য ব্যাংকগুলোতে গবেষণা সেল প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় প্রতি তিন মাস অন্তর এ ধরনের যৌথ সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরগণ জনাব ড. মোঃ কবির আহাম্মদ, জনাব মো. সরোয়ার হোসেন ও অন্যান্য কর্মকর্তারাও সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বিএবির পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যানগণ সর্বজনাব মনজুরুর রহমান, রোমো রউফ চৌধুরী ও শরীফ জহীর; এবং জনাব এ. এস. এম. শহীদুল্লাহ খান ও জনাব মো. মেহমুদ হোসেন এবং এবিবির পক্ষে ইস্টার্ন ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।
