রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার অনুমতি চেয়েও তা পাননি সংগঠনটির পরিচালক মো. মঞ্জুরুল ফরহাদ ফিলিপ। গত ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কামরুল বিন আজাদ স্বাক্ষরিত একটি সনদপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফলে রিহ্যাব এর কার্যক্রম পরিচালনায় কোন বাধা নেই এবং সিদ্ধান্ত বহাল থাকলো। সভা সেমিনার এজিএম ও মেলাসহ সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে রিহাবের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ।
সনদপত্র অনুযায়ী, রিহ্যাবের পরিচালক মো. মঞ্জুরুল ফরহাদ ফিলিপ হাইকোর্টের ১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। তবে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ তাঁর আবেদনটি খারিজ করে দেন। আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সনদপত্রে বলা হয়েছে, “The prayer is refused.”
এর আগে রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুর রাজ্জাকের দায়ের করা রিট পিটিশন নম্বর ১০৪৩৬/২০২৬-এর শুনানি শেষে গত ১ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা নির্দেশনার কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।
ওই নির্দেশনায় রিহ্যাবকে নিয়মিত বা রুটিন কার্যক্রমের বাইরে সভা ও অন্যান্য সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছিল। এর ফলে সংগঠনটির বোর্ড সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম), আবাসন মেলা ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনায় সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়।
হাইকোর্টের আদেশের ফলে মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনার কার্যকারিতা স্থগিত হওয়ায় রিহ্যাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।
নতুন করে ৫ নভেম্বরের আইনজীবীর সনদপত্রে আপিল বিভাগে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে করা আবেদন প্রত্যাখ্যাত ফলে ওই আবেদনের মাধ্যমে হাইকোর্টের ১ নভেম্বরের আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করা সম্ভব হয়নি।
আইনগতভাবে হাইকোর্টের আদেশটি কার্যকর রয়েছে। ফলে রিহাব সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
রিহ্যাবের মতো দেশের গুরুত্বপূর্ণ আবাসন খাতের সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা এবং সংগঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এ ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
