শুক্রবার, ৬ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

UCB Bank

আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবার বিসিবি সভাপতি

প্রকাশঃ

গত ৩০ মে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে পরিচালক হওয়ার পর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হয়েছিলেন আমিনুল। এবার ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে তিনি বিসিবি পরিচালক হন সোমবারের নির্বাচনে। এরপর সভাপতি পদের লড়াইয়ে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না সাবেক এই অধিনায়কের।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থার ২০তম প্রধান আমিনুল। তবে তার আগে একাধিকবার এই দায়িত্ব পেয়েছেন কেবল একজনই। চার দফায় বিসিবি সভাপতি ছিলেন নাজমুল হাসান (পাপন)। প্রথমবার ২০১২ সালে সরকারের মনোনয়নের তিনি বোর্ড প্রধান হন। পরে টানা তিনবার নির্বাচিত হন তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

সহ-সভাপতির দুটি পদেও কোনো নির্বাচন হয়নি। এখানেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ফারুক আহমেদ ও শাখাওয়াত হোসেন।

চার মাস আগে নাটকীয় ঘটনাপ্রবাহের পর বিসিবি সভাপতির পদ হারিয়েছিলেন ফারুক। পরে সংবাদমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ করেছিলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি পাল্টা অভিযোগ করেছিলেন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে। সাবেক এই অধিনায়ক আবার বিসিবিতে ফিরলেন বড় দায়িত্বে।

শাখাওয়াত হোসেন দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে একদমই নবীন। সবশেষ বোর্ডে বিসিবি সভাপতির পর্যটন বিষয়ক উপদেষ্টা করা হয়েছিল তাকে। ঢাকার তারকা হোটেল ওয়েস্টিন, হানসা ও শেরাটনের পরিচালনা প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তিনি। বরিশাল বিভাগের পরিচালক ও ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এই কাউন্সিলর ক্রীড়া উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ বলে গুঞ্জন আছে ক্রিকেট আঙিনায়।

এবার পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াতেই ক্রীড়া উপদেষ্টা প্রবল প্রভাব বিস্তার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে বারবার। ‘নির্বাচন ফিক্সিংয়ের’ অভিযোগে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন তামিম ইকবাল। নির্বাচনে সরকারে নগ্ন হস্তক্ষেপ, নানারকম অনিয়ম ও স্বেচ্ছারিতার অভিযোগে সরে দাঁড়ান মোট ২১ প্রার্থী। নির্বাচনের আগেই পরিচালক পদ পাওয়া নিশ্চিত হয়ে যায় ৯ জনের। ক্লাব ক্যাটেগরির ১২ পরিচালকের লড়াইয়ে শুরুতে ৩০ জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা নেমে আসে ১৫ জনে। ক্রীড়া উপদেষ্টার সাজানো ছকেই নির্বাচন হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে বিস্তর। সব মিলিয়ে বিতর্ক আর প্রশ্নের ভীড়ে নির্বাচন ঘিরে উৎসাহ আর কৌতূহল ছিল না খুব একটা।

নতুন পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা হয়ে গেছে সোমবার রাতেই। সামনে গঠিত হবে বোর্ডের বিভিন্ন কমিটি।

বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদকাল চার বছর।

শেয়ার করুনঃ

উপরের পোস্টটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কি?

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এই মাত্র প্রকাশিত

এই বিভাগের আরও সংবাদ