অর্জন ও অভিজ্ঞতার সাত বছর পেরিয়ে পরিবর্তন, প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে নতুন উচ্চতার পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সাত বছরের সাফল্যকে ভিত্তি করে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।
এ উপলক্ষ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ও কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান জনাব মো. আলী হোসেন ফকির। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আকরাম হোসেন, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল আইজি (ফিন্যান্স), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব কাজী মো. ফজলুল করিম, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল আইজি ও রেক্টর, পুলিশ স্টাফ কলেজ, বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব মো. কামরুল আহসান, অ্যাডিশনাল আইজি (কনফিডেন্সিয়াল); জনাব আহম্মদ মুঈদ, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব কামরুল হাসান তালুকদার, ইন্সপেক্টর, বাংলাদেশ পুলিশ; ড. মোঃ মোর্শেদ হাসান খান, স্বতন্ত্র পরিচালক; জনাব সৈয়দ রফিকুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক; জনাব মোহাম্মদ তফাজ্জুল হোসেন, এফসিএ, স্বতন্ত্র পরিচালক; জনাব মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-সহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান ও ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, “সাত বছরে কমিউনিটি ব্যাংক যে আস্থা ও সক্ষমতা অর্জন করেছে, তা অত্যন্ত গর্বের। ভবিষ্যতে আরও আধুনিক, জনবান্ধব ও টেকসই ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় ব্যাংকটি আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, “ট্রান্সফর্ম, গ্রোথ এবং সাসটেইনেবিলিটির মাধ্যমে কমিউনিটি ব্যাংককে আগামী দিনে আরও শক্তিশালী ও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই আমাদের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অঙ্গীকার।”
তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠার সাত বছরে কমিউনিটি ব্যাংক একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে। এই অর্জন আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলার অনুপ্রেরণা। পরিবর্তনশীল ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও সেবার মানকে আরও উন্নত করার পাশাপাশি গ্রাহকের আস্থা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় আমাদের অবদান আরও বাড়াতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি আমাদের মানুষ- আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাঁদের দক্ষতা, নিষ্ঠা, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমেই কমিউনিটি ব্যাংক আগামী দিনের সম্ভাবনাকে সাফল্যে রূপ দেবে।”
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কমিউনিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়েও ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কেক কেটে ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন। এ সময় সাত বছরের পথচলার স্মৃতি, অর্জন ও অভিজ্ঞতা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তৈরি হয় আনন্দ ও আবেগঘন পরিবেশ।
অনুষ্ঠানের পর প্রতিষ্ঠার সাত বছরের পথচলার নানা স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও অর্জন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাঁদের কথায় উঠে আসে একটি প্রতিষ্ঠানের বেড়ে ওঠার গল্প, নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা এবং কমিউনিটি ব্যাংকের সঙ্গে তাঁদের পেশাগত সম্পৃক্ততা ও আবেগের নানা স্মরণীয় মুহূর্ত।
সাত বছরের অর্জনকে ভিত্তি করে নতুন দিনের প্রত্যয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সম্মিলিতভাবে আরও দৃঢ়তা, নিষ্ঠা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের প্রত্যাশা- সমন্বিত প্রচেষ্টা, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, উৎকর্ষ সাধন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে কমিউনিটি ব্যাংক ভবিষ্যতের বাংলাদেশের আর্থিক অগ্রযাত্রায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের মধ্যে কমিউনিটি ব্যাংককে বাংলাদেশের একটি আস্থাশীল, টেকসই ও ক্যাশলেস ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলাই কমিউনিটি ব্যাংকের লক্ষ্য।

