কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণ, পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি-এর উদ্যোগে ‘এনআরবিসি সুফলা ও এনআরবিসি গতি: এসএমই রিফাইন্যান্স বিজনেস পেনিট্রেশন অ্যান্ড রিভিউ মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বগুড়ায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার। এতে এসএমই-এগ্রি বিজনেস ডিপার্টমেন্টের প্রধান মো. রমজান আলী ভূইয়া, সিআরএমডি-এসএমই বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, রাজশাহী জোনাল হেড অসিম কুমার দাস, রংপুর জোনাল হেড হিমাদ্রি শেখর দুবে এবং শাখা-উপশাখার ব্যবস্থাপকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, কটেজ, মাইক্রো, স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ (সিএমএসএমই) খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল এবং উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল এ তিনটি কর্মসূচি দেশের কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
সভায় এনআরবিসি সুফলা ও এনআরবিসি গতির আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক সম্ভাবনা চিহ্নিতকরণ এবং কৃষক ও উদ্যোক্তাদের কাছে অর্থায়ন সুবিধা কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের কৃষকদের জন্য কৃষি উৎপাদন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মো. শাহিন হাওলাদার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা উন্নয়নে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থিক অন্তভূক্তি জোরদারের সুযোগ রয়েছে। কৃষি ও ক্ষুদ্র খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিতে হবে। সঠিক গ্রাহক নির্বাচন, ঋণ বিতরণ এবং আদায় তদারকির মাধ্যমে ব্যাংকের ব্যবসা বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

