শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

UCB Bank

পাঁচ সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠিত

প্রকাশঃ

‘জনমানুষের বৈশাখ, শেকড়ের সংস্কৃতি’ এই বক্তব্য নিয়ে বাঙালমেল, কাব্যস্বর, বুকওয়ার্ম, চারবাক ও জনসংস্কৃতি এই পাঁচটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠান আরম্ভ হয় বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী আল্লাহ মেঘ দে পানি দে ছায়া দে রে তুই কোরাস গান দিয়ে। অনুষ্ঠানের শুরুতে উদযাপন কমিটির আহবায়ক কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলম তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, পহেলা বৈশাখ মূলত বাংলাদেশের জনমানুষের অনুষ্ঠান। এই দেশের চাষী, জেলে, পেশাজীবী, খেটে খাওয়া মানুষ, শত শত বছর ধরে পহেলা বৈশাখে আল্লা মেঘ দে পানি দে কোরাস গান, হালখাতা, বাউল-মুর্শিদী গানের অনুষ্ঠান, কিস্সার আসর এইসব মধ্যদিয়ে পহেলা বৈশাখ পালন করে এসেছে। কিন্তু গত কয় দশক ধরে শহরকেন্দ্রিক এলিট পহেলা বৈশাখের উদ্ভব হয়েছে, যার সাথে এই দেশের সাধারণ মানুষের জীবনাচার বা বৈশাখী আচারের কোন সম্পর্ক নাই। এখন পহেলা বৈশাখের নামে কর্পোরেট পুঁজির ব্যবসায়িক ছলাকলা আর ভিনদেশি সাম্প্রদায়িক আচার-প্রতীক পহেলা বৈশাখ বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। আমরা এইসব অপসংস্কৃতি আর সাংস্কৃতিক আধিপত্য ঠেকাতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ঐতিহ্যবাহী প্রকৃত বৈশাখী অনুষ্ঠান নিয়ে প্রতি বছরের মত এবারো উদযাপন করছি পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল, কবি খলিল মজিদ, রিসি দলাই, আরন্যক টিটু, মনির ইউসুফ, লেখক আবু বকর মো: মুইন, এখলাস মিয়া, মুরাদ হাসান ও নাহিদ বাদশাহ।
জমজমাট কোরাস গান, সারাদেশ হতে আগত শিল্পীদের বাউল-মুর্শিদী গানের পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার পান্তা-আলুভর্তা-বাতাসা-খেলনার আপ্যায়ন উপস্থিত বিপুল দর্শকশ্রোতাদের মুগ্ধ করে।

শেয়ার করুনঃ

উপরের পোস্টটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কি?

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এই মাত্র প্রকাশিত

এই বিভাগের আরও সংবাদ